ওয়াশিংটন, ডি.সি. স্থানীয সময়:
জাতির কাছে ক্ষমা চাই ...আশরাফুল
বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দোষ স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। গতকাল আশরাফুল নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আশরাফুল ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে বলেন, আমি ম্যাচ ফিক্সিং বিষয়ে আকসুকে সব বলেছি। আকসু আমাকে এ নিয়ে অন্য কারো সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছে। আমি গত ১২ বছর ধরে ক্রিকেট খেলেছি। আপনারা আমাকে ভালো করেই চেনেন। ক্রিকেটের স্বার্থে আমি সব অপরাধের কথা স্বীকার করছি। এই অপরাধের জন্য আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাই। জাতির কাছে, আমার ভক্তদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি যা করেছি তার জন্য আমি ভীষণ লজ্জিত। বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দেয়ায় গতকাল সব ধরনের ক্রিকেট থেকে আশরাফুলকে সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, আশরাফুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আকসুর কাছে। তাই এই ব্যাপারে আর কোন প্রমাণের দরকার নেই। বিসিবি দুর্নীতি বিরোধী নীতিমালায় ম্যাচ পাতানোর অপরাধে ৬ মাস থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। আমরা তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দিচ্ছি না। তবে যে কোন ক্রিকেটে আপাতত তার অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। সাময়িক নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে আশরাফুল বলেন, আমি আইসিসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি। এ ব্যাপারে আমি তাদের সব কিছু খুলে বলেছি। আমি ক্যারিয়ারে ছোটখাট কিছু ভুল করেছি। সে সম্পর্কেও বিস্তারিত বলেছি। ফলে আইসিসি দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিটের চূড়ান্ত রিপোর্ট না আশা পর্যন্ত যেকোন ধরনের ক্রিকেট খেলার আর সুযোগ নেই আশরাফুলের। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলেই আরো বড় কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন আশরাফুল।
বিপিএলেই সীমাবদ্ধ নেই আইসিসি ম্যাচেও হয়েছে .......বিসিবি সভাপতি
বিপিএলের ম্যাচে স্পট ফিক্সিং ও ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু)। কিন্তু এটা আর এখন বিপিএলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আইসিসির ম্যাচেও তদন্ত হতে যাচ্ছে। এমনটাই জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল নাজমুল হাসান পাপন বলেন, আকসুর তদন্তের পর স্পট ফিক্সিং ও ম্যাচ ফিক্সিং আর এখন বিপিএল ম্যাচের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আইসিসির ম্যাচেও হয়েছে। তাই আকসুর তদন্ত রিপোর্ট পেতে আরো ৫-৬ দিন সময় লাগতে পারে। আর আইসিসি ম্যাচের তদন্ত করবে আইসিসি। আর এটা বিসিবি ও আইসিসি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে তা প্রকাশ করবে। তবে যারা এর সাথে জড়িত থাকবে তাদের অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে। না হলে ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে দোষীদের কোন ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে তদন্ত শুরু করে আকসু। বাংলাদেশে এসে চার দফা তদন্ত করে আকসুর প্রতিনিধি দল। তদন্তে একাধিকবার আশরাফুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিপিএল ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে। জিজ্ঞাসাবাদে আশরাফুল ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। সেই সাথে আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে একটি পত্রিকায় রিপোর্ট হয়। সেখানে আশরাফুল ছাড়াও সাবেক তিন ক্রিকেটার জড়িত বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। ফলে আকসু শুধু বিপিএল নিয়েই রিপোর্ট নয় আইসিসি ম্যাচ নিয়েও তদন্ত করে রিপোর্ট দিবে। ফলে এই রিপোর্ট পেতেই একটু দেরি হচ্ছে। বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আকসুর প্রতিনিধিদের সাথে আমার বৈঠক হয়েছে। তারা আমাকে কিছু কিছু তথ্য দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি বলেছি আমাকে পুরো রিপোর্ট দিতে হবে এবং তা প্রমাণসহ থাকতে হবে। আর এই রিপোর্টে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিব আমরা। অভিযোগ পেলে আমরা ট্রাইব্যুনালের অপেক্ষায় থাকবো না।” তবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আশরাফুলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর কথা প্রকাশ পেয়েছে। আশরাফুল অবশ্য এটা অস্বীকার করেনি। এ ব্যাপারে বিসিবি সভাপতিকে প্রশ্ন করা হলে সভাপতি বলেন, “আশরাফুল যেহেতু বিপিএল ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাই আশরাফুলকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্রিকেটের সাথে তার জড়িত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে আকসুর চূড়ান্ত রিপোর্ট পেলে তার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আকসুর তদন্ত কাজের ব্যাপারে বোর্ড সভাপতি বলেন, বিপিএলের প্রথম আসর নিয়ে অনেক কথা উঠেছিল। ফলে দ্বিতীয় আসরে যাতে কোন দুর্নীতি না হয় তা পর্যবেক্ষণ করতে আমরা আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিটকে (আকসুকে) দায়িত্ব দেই। এ জন্য আকসুকে এক কোটি চৌষট্টি লাখ টাকা দিতে হয়েছে। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের ফাইনাল খেলার পর একটা রিপোর্ট ছিল আকসু থেকে। আমরা আকসুকে বলি বিস্তারিত জানানোর জন্য। কারণ আকসু দেশ-বিদেশে এই ধরনের অনেক কাজ করেছে। আকসু বিপিএল নিয়ে তদন্ত প্রায় শেষ করে এনেছে। তবে তদন্ত যদি অন্য দিকে মোড় নেয় তবে আরো সময় লাগতে পারে। আকসুর প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে কোন রিপোর্ট সভাপতিকে দেয়া হয়েছে কি না এ জন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোন রিপোর্ট পাইনি। তারা আমাকে কিছু কিছু তথ্য দিতে চেয়েছিল। আমি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে বলেছি। তাই আমি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ার আগে কোন কিছু বলতে চাই না। কনফার্ম না হয়ে কিছু বলাও ঠিক না। এতো কিছুর পর বিপিএল কোনো হুমকিতে আছে কি না বা বিপিএল বন্ধ হবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমি সভাপতি হওয়ার পর বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের মধ্যে বিপিএল শুরু করাটা ছিল বড় একটা চ্যালেঞ্জ। কারণ প্রথম বিপিএল আসর ছিল অনেকটা দিক-নির্দেশনাহীন। আমরা সেই সব সমস্যা সমাধান করেই দ্বিতীয় আসর শুরু করি। তবে এত কিছুর পরও আমি মনে করি বিপিএল কোন সমস্যা না। সমস্যা হলো বিপিএলে ঘটে যাওয়া যে কোন ঘটনা। তাই বিপিএল বন্ধ করা কোন সমাধান নয়। আমরা এভাবে ক্রিকেট বন্ধ করতে পারি না। সমস্যা থাকলে সমাধান করতে হবে। বিপিএলে ক্রিকেটারদের বকেয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যারা চুক্তি অনুযায়ী এখনো অর্থ দেয়নি তাদের একাধিকবার নোটিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া যারা চুক্তি অনুযায়ী ক্রিকেটারদের টাকা পরিশোধ করবে না তাদের জন্য সাসপেনশন লেটার তৈরির কাজও চলছে।”
তুরস্কের চলমান বিক্ষোভ আরব বসন্ত নয় : এরদোগান
শপিংমল নির্মাণকে কেন্দ্র করে তুরস্কের চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে ‘আরব বসন্তের’ কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। সন্ত্রাসীদের মদদদেই তার ‘নিষ্পাপ নাগরিকরা’ এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কাজ করছে বলে মরক্কো সফরের আগে সাংবাদিকদের কাছে জানান তিনি। বিবিসি।
ঐতিহাসিক ইস্তাম্বুল পার্কে শপিংমল নির্মাণকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। চারদিন ধরে চলা এই বিক্ষোভ এক পর্যায়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। দেশব্যাপী এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের সঙ্গে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হয়। সহ¯্রাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেন,“সন্ত্রাসীরাই এই সংঘর্ষকে উস্কে দিচ্ছে। তুরস্ককে অস্থিতিশীল করতে বিদেশী শক্তিই এই আন্দোলকে পরিচালনা করছে। এর সঙ্গে গেজি পার্কের কোনো সম্পর্ক নেই।”
সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য বিরোধীদল সিএইচপিকে দায়ী করে এরদোগান বলেন, “প্রধান বিরোধী দল সাধারণ জনগণকে উস্কে দিচ্ছে। তারা এটিকে তুর্কি বসন্ত বললেও এটি সন্ত্রাসী কর্মকা-।”
তুর্কি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলমান সংঘাতে প্রায় একহাজার ৭০০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬৭টি শহরে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করে।
এই ঘটনায় এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে সব দল এবং পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করাও গণতন্ত্রেরই একটি অংশ।
দেশত্যাগের অনুমতি পাচ্ছেন মুশাররফ
দেশ ছাড়ার অনুমতি পেতে পারেন প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশাররফ। দুবাইতে গুরুতর অসুস্থ তার বৃদ্ধা মা। তাকে দেখার জন্য দুবাই যাওয়ার অনুমতি মিলতে পারে মুশাররফের। এমনই তথ্য জানাচ্ছে পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যম। নতুন বার্তা।
রাজধানী ইসলামাবাদের শহরতলীতে নিজের খামারবাড়িতে আপাতত বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন প্রাক্তন পাক সেনাপ্রধান। মাথার ওপর ঝুলছে একাধিক মামলা। রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি, বালুচ নেতা নবাব আকবর বুগতিকে খুন ও প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মহম্মদ-সহ ৬০ জন বিচারপতিকে পদচ্যুত করে আইন ব্যবস্থা কুক্ষিগত করা- অভিযোগের গুরুত্ব কম নয় মোটেই।
নির্বাচনের মুখে দেশে স্বেচ্ছানির্বাসন কাটিয়ে দুবাই থেকে দেশে ফেরার কথা ঘোষণা করার পর থেকেই তালেবানরা হুমকি দিয়েছিল খুন করার। তাতে দমেননি মুশাররফ। ফেরার পর নির্বাচনে লড়ার জন্য মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন চারটি কেন্দ্রে।
কিন্তু এই সময় থেকেই তার সময় খারাপ হতে শুরু করে। খারিজ হয় সবক’টি মনোনয়নই। বিভিন্ন আদালতে মুশাররফের বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় তার বিরুদ্ধে।
অতএব পাকিস্তানের প্রাক্তন শাসক কড়া প্রহরায় গৃহবন্দি হলেন নিজের বাড়িতেই। একবার তো রটে গিয়েছিল, অপরাধের শাস্তি হিসেবে মুশাররফের মৃত্যুদ-ের ব্যবস্থা করে ১৯৯৮ সালে তার নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর বদলা নিয়ে শান্ত হবেন দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ।কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ভাগ্য হয়তো অতটা খারাপ নাও হতে পারে মুশাররফের। দুবাইতে মুশারফের ৯৫ বছর বয়স্ক মা এখন মৃত্যুশয্যায়। তাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। মা-কে দেখতে যাওয়ার অনুমতি পাওয়ার জন্য আদালতের কাছে ইতোমধ্যেই আবেদন করেছেন মুশাররফ। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম মনে করছে মুশাররফের এই আবেদন হয়তো গ্রাহ্য হবে আদালতে। মায়ের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেয়ে খুব শিগগিরই হয়তো দেশ ছাড়বেন মুশাররফ। সূত্রের খবর, নতুন প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ গ্রহণের আগেই মুশাররফ পাকিস্তান ছাড়তে পারেন।
৪৫ মিনিটের বক্তৃতায় ক্লিনটন পেলেন ৫ লাখ ডলার
ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজের জন্মদিনে সম্মানসূচক বক্তৃতা করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন পাঁচ লাখ ডলার সম্মানি পেয়েছেন। এজন্য ক্লিনটনকে বক্তৃতা করতে হয়েছে ৪৫ মিনিট। শিমন পেরেজের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘দি জিউস ন্যাশনাল ফান্ড’ এবং তারাই ক্লিনটনকে এ অর্থ দিয়েছে। অনুষ্ঠান হয়েছে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় রেহোভোত শহরের পেরেজ একাডেমিক সেন্টারে। এ ছাড়া ১৮ জুন বিল ক্লিনটন বার্ষিক প্রেসিডেন্সিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষে ইসরাইল সফর করবেন। জিউস ন্যাশনাল ফান্ড এবং পেরেজ একাডেমিক সেন্টার যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জিউস ন্যাশনাল ফান্ডের হাতে ২০০৭ সালে পুরো ইসরাইলের শতকরা ১৩ ভাগ ভূমি ছিল। এ সংস্থাটি ১৯০১ সালে গঠিত হয়।

































































































































































